ইলেক্ট্রনিক্স জগতের সবচেয়ে মৌলিক কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো রেজিস্টর। আপনি যদি একজন ছাত্র, শখের মেকার বা ইঞ্জিনিয়ার হন, তবে রেজিস্টরের মান বুঝতে পারা আপনার জন্য বাধ্যতামূলক। আজকের এই আর্টিকেলে আমরা রেজিস্টর কালার কোড নিয়ে এমনভাবে আলোচনা করব, যা আপনাকে এই বিষয়ে একজন বিশেষজ্ঞ করে তুলবে।
রেজিস্টর কাকে বলে?
রেজিস্টরের সংজ্ঞা:
রেজিস্টর (Resistor) বা রোধক হলো একটি প্যাসিভ ইলেকট্রনিক উপাদান, যার প্রধান কাজ হলো বৈদ্যুতিক প্রবাহকে বাধা প্রদান করা। সহজ কথায়, কোনো সার্কিটে বিদ্যুৎ কতটুকু গতিতে বা পরিমাণে প্রবাহিত হবে, তা নিয়ন্ত্রণ করে এই রেজিস্টর।
রেজিস্টরের প্রধান কাজসমূহ:
১. কারেন্ট কন্ট্রোল (Current Control): সার্কিটের সংবেদনশীল অংশগুলোকে (যেমন LED) অতিরিক্ত কারেন্ট থেকে রক্ষা করতে এটি প্রবাহ কমিয়ে দেয়।
২. ভোল্টেজ ড্রপ (Voltage Drop): একটি নির্দিষ্ট ভোল্টেজকে কমিয়ে অন্য ভোল্টেজে রূপান্তর করতে রেজিস্টর ব্যবহার করা হয়।
৩. বায়াসিং: ট্রানজিস্টরের মতো সেমিকন্ডাক্টর ডিভাইসগুলোকে সচল করার জন্য নির্দিষ্ট ভোল্টেজ লেভেল তৈরি করে।
রেজিস্ট্যান্স এর মান (Resistance Value)
রেজিস্টরের বাধা দেওয়ার ক্ষমতাকে বলা হয় রেজিস্ট্যান্স। এর পরিমাপের একক হলো ওহম (Ohm), যাকে গ্রিক অক্ষর গ্রিক অক্ষর $\Omega$ (Ω) দিয়ে প্রকাশ করা হয়।
ওহম (Ohm) কী?
যদি কোনো পরিবাহীর দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য ১ ভোল্ট হয় এবং তার মধ্য দিয়ে ১ অ্যাম্পিয়ার কারেন্ট প্রবাহিত হয়, তবে ওই পরিবাহীর রোধকে ১ Ω / ওহম ($\Omega$) বলে।
বড় মানের একক (KΩ, MΩ):
রেজিস্টরের মান কয়েক ওহম থেকে কয়েক মিলিয়ন ওহম পর্যন্ত হতে পারে। হিসাবের সুবিধার্থে আমরা নিচের এককগুলো ব্যবহার করি:
- ১ KΩ(Kilo-Ohm) = ১০০০ Ω
- ১ MΩ (Mega-Ohm) = ১,০০০,০০০ Ω
উদাহরণ:
আপনার কাছে একটি ৪৭০০ ওহমের রেজিস্টর আছে। এটিকে সহজে আমরা ৪.৭ KΩ বলতে পারি।
রেজিস্টর কত প্রকার ও কি কি?
কাজের ধরন ও বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে রেজিস্টরকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়: Fixed এবং Variable।
১. ফিক্সড রেজিস্টর (Fixed Resistor)
এর রেজিস্ট্যান্স মান উৎপাদনকালেই নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয় এবং এটি পরিবর্তন করা যায় না। কার্বন কম্পোজিশন বা মেটাল ফিল্ম রেজিস্টর এর উদাহরণ।
২. ভ্যারিয়েবল রেজিস্টর (Potentiometer)
এর মান প্রয়োজন অনুযায়ী বাড়ানো বা কমানো যায়। রেডিওর ভলিউম কন্ট্রোল নব এর একটি আদর্শ উদাহরণ।
৩. থার্মিস্টর (Thermistor)
এটি তাপমাত্রার ওপর নির্ভর করে কাজ করে। তাপমাত্রা বাড়লে বা কমলে এর রেজিস্ট্যান্স পরিবর্তিত হয় (NTC এবং PTC)।
৪. এলডিআর (LDR – Light Dependent Resistor)
আলোর তীব্রতার ওপর ভিত্তি করে এর মান পরিবর্তন হয়। অন্ধকার হলে রেজিস্ট্যান্স বেড়ে যায় এবং আলোতে কমে যায়। এটি অটোমেটিক স্ট্রিট লাইটে ব্যবহৃত হয়।
কালার কোড কি? কেন এটি ব্যবহৃত হয়?
অনেকেই প্রশ্ন করেন, রেজিস্টরের ওপর মান লিখে না দিয়ে কেন রঙিন দাগ দেওয়া হয়? এর প্রধান কারণগুলো হলো:
- ছোট আকৃতি: রেজিস্টরগুলো এতই ছোট হয় যে সেখানে সংখ্যা লেখা এবং পড়া খুব কঠিন।
- স্থায়িত্ব: লেখা মুছে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে, কিন্তু খোদাই করা কালার ব্যান্ড সহজে নষ্ট হয় না।
- আন্তর্জাতিক মান (IEC 60062): পুরো বিশ্বে যেন একই মানের রেজিস্টর চেনা যায়, সেজন্য ইন্টারন্যাশনাল ইলেকট্রোটেকনিক্যাল কমিশন (IEC) এই কালার কোড প্রথা চালু করেছে।
রেজিস্টর কালার কোডের সূত্র (Calculation Formula)
রেজিস্টরের মান বের করার জন্য ৪-ব্যান্ড এবং ৫-ব্যান্ডের আলাদা সূত্র রয়েছে। এটি শিখলে আপনি ক্যালকুলেটর ছাড়াই মান বলতে পারবেন।

৪-ব্যান্ড রেজিস্টর সূত্র (4-Band Formula)
সূত্র: Resistance = (AB × Multiplier) ± Tolerance
এখানে:
- A: প্রথম ব্যান্ড (প্রথম সংখ্যা)
- B: দ্বিতীয় ব্যান্ড (দ্বিতীয় সংখ্যা)
- Multiplier: তৃতীয় ব্যান্ড (কতগুলো শূন্য বসবে)
- Tolerance: চতুর্থ ব্যান্ড (ত্রুটির সীমা)
উদাহরণ: লাল (২), লাল (২), বাদামী (x১০), সোনালী (± ৫%)
হিসাব: = (২২ x ১০) = ২২০± ৫%
৫-ব্যান্ড রেজিস্টর সূত্র (5-Band Formula)
সূত্র: Resistance = (AB × Multiplier) ± Tolerance
এখানে প্রথম তিনটি ব্যান্ড সংখ্যা নির্দেশ করে।
উদাহরণ: বাদামী (১), কালো (০), কালো (০), লাল (x ১০০), হলুদ (-)
হিসাব: (১০০x ১০০) = ১০,০০০ Ω = ১০ KΩ
রেজিস্টর ক্যালকুলেশন শর্ট সূত্র (Quick Method)
দ্রুত মনে রাখার ট্রিক:
প্রথম সংখ্যা + দ্বিতীয় সংখ্যা + multiplier = final value
Example:
- হলুদ (4), বেগুনি (7), লাল (×100)
47 × 100 = 4700Ω = 4.7KΩ
রেজিস্টর কালার কোড চার্ট

কালার কোড বের করার সঠিক নিয়ম
রেজিস্টর হাতে নিয়ে কোন দিক থেকে পড়া শুরু করবেন?
১. রেজিস্টরটিকে এমনভাবে ধরুন যেন সোনালী বা রূপালী (Tolerance) ব্যান্ডটি ডান দিকে থাকে।
২. বাম দিক থেকে প্রথম ব্যান্ডটি হবে প্রথম সংখ্যা।
৩. যদি কোনো রঙ না থাকে (No color), তবে সেটি ২০% টলারেন্স।
ওহমের সূত্র (Ohm’s Law) ও রেজিস্টর
রেজিস্টরের ব্যবহার বুঝতে ওহমের সূত্র জানা আবশ্যক। সূত্রটি হলো:
V = IxR
যেখানে:
- V = Voltage (ভোল্ট)
- I = Current (অ্যাম্পিয়ার)
- R = Resistance (ওহম)
এই সূত্র দিয়ে আপনি বুঝতে পারবেন একটি নির্দিষ্ট সার্কিটে কত মানের রেজিস্টর লাগালে আপনার কম্পোনেন্টটি নিরাপদ থাকবে।
Vector diagram of Ohm’s law, triangle with three relevant equations isolated on white.
সাধারণ ভুল যা এড়িয়ে চলবেন
১. উল্টো দিক থেকে পড়া: টলারেন্স ব্যান্ডকে ভুল করে প্রথম ব্যান্ড ভাবা।
২. রং চিনতে ভুল: অনেক সময় গাঢ় বাদামী এবং লাল রঙের মধ্যে পার্থক্য করতে ভুল হয়। পর্যাপ্ত আলোতে কালার কোড দেখুন।
৩. ইউনিট রূপান্তর: Ω থেকে KΩ বা MΩ করার সময় শূন্যর হিসাবে ভুল করা।
বাস্তব উদাহরণ (Practical Examples)
১. ১ KΩ রেজিস্টর: বাদামী (১), কালো (০), লাল (১০০)। $(১০ \times ১০০ = ১০০০ \Omega)$।
২. ১০ KΩরেজিস্টর: বাদামী (১), কালো (০), কমলা (১০০০)। $(১০ \times ১০০০ = ১০,০০০ \Omega)$।
৩. ৪.৭ KΩ রেজিস্টর: হলুদ (৪), বেগুনি (৭), লাল (১০০)। $(৪৭ \times ১০০ = ৪৭০০ \Omega)$।
FAQ: সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর
১. রেজিস্টর কালার কোডের সূত্র কি?
উত্তর: মূল সূত্র হলো $Resistance = (Significant Digits \times Multiplier) \pm Tolerance$।
২. টলারেন্স (Tolerance) কি?
উত্তর: এটি নির্দেশ করে রেজিস্টরের আসল মান কালার কোড থেকে কত শতাংশ কম বা বেশি হতে পারে।
৩. রেজিস্টরের কালার কোড কিভাবে বের করতে হয়?
রেজিস্টরের গায়ে থাকা রঙের ব্যান্ড দেখে খুব সহজেই এর মান নির্ধারণ করা যায়। সাধারণত ৪-ব্যান্ড বা ৫-ব্যান্ড পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়। প্রথম ২ বা ৩টি রং সংখ্যা নির্দেশ করে, তার পরের রং multiplier হিসেবে কাজ করে এবং শেষ রং tolerance নির্দেশ করে।
সূত্র:
Resistance = (Digits × Multiplier) ± Tolerance
উদাহরণ হিসেবে, লাল-লাল-বাদামী-সোনালী হলে মান হবে (22 × 10) = 220Ω ±5%।
৪. 1000 রেজিস্ট্যান্স এর কালার কোড কত?
1000Ω কে 1KΩ বলা হয়। এই মানের রেজিস্টরের কালার কোড হলো: বাদামী – কালো – লাল – সোনালী। এখানে বাদামী = 1, কালো = 0 এবং লাল multiplier ×100, তাই 10 × 100 = 1000Ω হয়। এটি সাধারণত LED সার্কিট ও সিগন্যাল লাইনে ব্যবহৃত হয়।
৫. 120 রেজিস্ট্যান্স কালার কোড?
120Ω রেজিস্টরের কালার কোড হলো: বাদামী – লাল – বাদামী – সোনালী। এখানে 1 ও 2 মিলে 12 এবং multiplier ×10, ফলে 120Ω পাওয়া যায়। এই ধরনের রেজিস্টর ছোট সার্কিটে current limit করতে ব্যবহৃত হয়।
৬. 22k 2W রেজিস্টরের কালার কোড কত?
22KΩ মানে 22000Ω। এর কালার কোড হলো: লাল – লাল – কমলা – সোনালী। এখানে 22 × 1000 = 22000Ω।
2W (2 Watt) শুধু power handling capacity বোঝায়, কালার কোডের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই। এই রেজিস্টর বেশি পাওয়ার সার্কিটে ব্যবহৃত হয়।
৭. রেজিস্টার কালার কোড কি?
রেজিস্টর কালার কোড হলো এমন একটি আন্তর্জাতিক মান পদ্ধতি, যেখানে রঙের মাধ্যমে রেজিস্টরের মান (Resistance) প্রকাশ করা হয়। ছোট আকারের কারণে সরাসরি সংখ্যা লেখা সম্ভব না হওয়ায় এই পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
৮. কালার কোড কোথায় পাওয়া যায়?
কালার কোড সরাসরি রেজিস্টরের গায়ে রঙিন ব্যান্ড হিসেবে থাকে। প্রতিটি ব্যান্ড নির্দিষ্ট অর্থ বহন করে এবং এগুলো পড়েই রেজিস্টরের মান নির্ধারণ করা হয়।
৯. 1k রেজিস্টর কি কাজে লাগে?
1KΩ রেজিস্টর খুব বেশি ব্যবহৃত একটি মান। এটি LED এর কারেন্ট নিয়ন্ত্রণ, ভোল্টেজ ডিভাইডার তৈরি, সিগন্যাল প্রসেসিং এবং মাইক্রোকন্ট্রোলার সার্কিটে ব্যবহৃত হয়। নতুনদের জন্য এটি সবচেয়ে common resistor।
১০. 1/4 ওয়াট রেজিস্টরের কালার কোড কত?
1/4 ওয়াট (0.25W) রেজিস্টরের জন্য আলাদা কোনো কালার কোড নেই। কালার কোড শুধুমাত্র resistance বোঝায়, power rating বোঝায় না। তবে 1/4W রেজিস্টর আকারে ছোট হয়।
১১. 000 এর রং কি?
0Ω বা zero-ohm resistor সাধারণত jumper হিসেবে ব্যবহার হয়। এর কালার কোড হতে পারে কালো – কালো – কালো। অনেক সময় একে সরাসরি “0” লিখেও দেখানো হয়।
১২. 150k রেজিস্টরের কালার কোড কত?
150KΩ রেজিস্টরের কালার কোড হলো: বাদামী – সবুজ – হলুদ – সোনালী। এখানে 15 × 10000 = 150000Ω হয়। এটি high resistance সার্কিটে ব্যবহৃত হয়।
১৩. 120 ও 240 এর কালার কোড কি?
120Ω → বাদামী – লাল – বাদামী – সোনালী
240Ω → লাল – হলুদ – বাদামী – সোনালী
এই দুইটি রেজিস্টর সাধারণত current limiting ও ছোট সার্কিটে ব্যবহৃত হয়।
১৪. 120 120 120 এর রং কি?
এটি কোনো স্ট্যান্ডার্ড রেজিস্টর কালার কোড নয়। তবে যদি RGB color হিসেবে ধরা হয়, তাহলে এটি একটি সবুজাভ (light green) রং নির্দেশ করে।
১৫. 100 রেজিস্টরের রং কি?
100Ω রেজিস্টরের কালার কোড হলো: বাদামী – কালো – বাদামী – সোনালী। এখানে 10 × 10 = 100Ω হয়। এটি basic electronics circuit-এ ব্যবহৃত হয়।
১৬. কালার কোড কিসের জন্য?
কালার কোড ব্যবহারের মূল উদ্দেশ্য হলো ছোট রেজিস্টরের মান সহজে বোঝানো। এটি দ্রুত শনাক্তকরণে সাহায্য করে এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একটি পদ্ধতি।
১৭. কোন রেজিস্টর ব্যবহার করতে হয় কিভাবে হিসাব করতে হয়?
সঠিক রেজিস্টর নির্বাচন করতে Ohm’s Law ব্যবহার করা হয়:
R = V / I
উদাহরণ: 5V supply এবং 20mA current হলে R = 250Ω। এইভাবে প্রয়োজন অনুযায়ী রেজিস্টর নির্বাচন করা হয়।
১৮. 1k8 রেজিস্টরের কালার কোড কি?
1.8KΩ = 1800Ω
কালার কোড: বাদামী – ধূসর – লাল – সোনালী। এটি সাধারণত precise current control-এর জন্য ব্যবহৃত হয়।
১৯. ভিন ফ্রি কালার কোড?
এই প্রশ্নটি পরিষ্কার নয়, সম্ভবত টাইপো হয়েছে। যদি “Vin” বা অন্য কিছু বোঝাতে চাও, সঠিকভাবে লিখলে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া যাবে।
২০. নামমাত্র রোধ কিভাবে বের করব?
নামমাত্র রোধ (Nominal Resistance) কালার কোড দেখে বা multimeter দিয়ে মাপার মাধ্যমে নির্ধারণ করা যায়। এটি হলো রেজিস্টরের মূল মান।
২১. 1000 রেজিস্ট কি?
1000Ω রেজিস্টরকে 1KΩ বলা হয়। এটি electronics circuit-এ সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত মানগুলোর একটি।
২২. 1000 ওহম এর সংকেত কি?
1000 ohm কে সংক্ষেপে 1KΩ হিসেবে লেখা হয়।
২৩. 1k রেজিস্টর কত ওহম?
1KΩ = 1000Ω। এখানে K মানে kilo, অর্থাৎ 1000।
২৪. আরজিবি 120 150 120 কি?
এটি resistor নয়, বরং RGB color code। এটি একটি হালকা সবুজ রঙ নির্দেশ করে।
২৫. কালার কোড নাম্বার কি?
প্রতিটি রঙের নির্দিষ্ট একটি সংখ্যা থাকে (০–৯)। যেমন: কালো = 0, বাদামী = 1, লাল = 2 ইত্যাদি। এই সংখ্যা দিয়েই রেজিস্টরের মান নির্ধারণ করা হয়।
২৬. 120r রেজিস্টর কি?
120R মানে 120Ω। এখানে “R” দিয়ে ohm বোঝানো হয়।
২৭. 20k রেজিস্টরের কালার কোড কত?
20KΩ
কালার কোড: লাল – কালো – কমলা – সোনালী। এটি medium resistance সার্কিটে ব্যবহৃত হয়।
২৮. 220 ওহম রেজিস্টর কি?
220Ω রেজিস্টরের কালার কোড হলো: লাল – লাল – বাদামী – সোনালী। এটি LED সার্কিটে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়।
২৯. 2.2k রেজিস্টর দেখতে কেমন?
2.2KΩ রেজিস্টরের কালার কোড: লাল – লাল – লাল – সোনালী। এটি ছোট সিলিন্ডার আকৃতির হয় এবং সাধারণ electronics board-এ সহজেই দেখা যায়।
উপসংহার
রেজিস্টর কালার কোড বোঝা মানেই হলো ইলেকট্রনিক্স সার্কিট ডিজাইনের প্রথম ধাপে সফল হওয়া। নিয়মিত চর্চা করলে আপনি কালার দেখেই চোখের পলকে মান বলে দিতে পারবেন। প্রোজেক্ট করার সময় অবশ্যই মাল্টিমিটার দিয়ে মান চেক করে নেওয়া ভালো যেন কোনো ভুল না হয়।
আরও পড়ুন: [কিভাবে ইলেকট্রনিক্স প্রজেক্ট শুরু করবেন]
আপনার কোনো নির্দিষ্ট রেজিস্টরের মান নিয়ে কনফিউশন আছে? নিচে কমেন্ট করুন, আমরা সাহায্য করব!
